সময় এবং তারিখ

ঢাকা,বাংলাদেশ 

Sunday, January 5, 2020

"মাত্র" কেন লিখতে হয়, টাকার পরিমাণ লেখার পর? অথবা অংকে কোনো পরিমান লিখার পর এই "/= " চিহ্ন দিতে হয় কেন?


  "মাত্র" কেন লিখতে হয়, টাকার পরিমাণ লেখার পর? অথবা অংকে কোনো পরিমান লিখার পর এই "/= " চিহ্ন দিতে হয় কেন?


পঞ্চাশ টাকা লিখার পর মাত্র লিখি আবার কোটি  টাকা লিখার পরও মাত্র লিখি।

কথা হলো এতগুলো টাকার পরিমান লিখার পর "মাত্র" কেন লিখতে হয়? অথবা অংকে কোনো পরিমান লিখার পর এই "/= " চিহ্ন দিতে হয় কেন??

টাকার পরিমান যাই হোক না কেন শেষে মাত্র লেখার একমাত্র কারণ হলো, নির্দিষ্টতা।

‘মাত্র’ দ্বারা বোঝায় এর সর্বশেষ সিলিং। যেমন ধরুন পঞ্চাশ হাজার টাকা মাত্র, মানে পঞ্চাশ হাজার টাকার এক টাকা কমও না আবার এক টাকা বেশিও না।

আর তাছাড়া চেক প্রদানকারী ধরুন শুধু ৫০০০০ টাকা লিখে দিলেন, আর চেক গ্রহীতার অসদাচরণের কারণে সেখানে যদি একটা শূন্য বেশি দেয়া হয় তাহলে তো পুরাই ধরা !

তাই মাত্র লিখে অথবা এমাউন্ট লিখার পর এই " /= " চিহ্ন দেয়ার একমাত্র কারণ যাতে আর কোনোভাবেই সেখানে কোনো রকম কারচুপির করার সুযোগ না থাকে। অর্থাৎ এটি প্রতারণা থেকে বাঁচবার একটি অন্যতম ফাঁদও বলতে পারেন।

অবশ্যই চেকে বা ডিপোজিট স্লিপে মাত্র লিখবেন, সাথে এমাউন্ট লেখার পর লম্বা টানে এমাউন্ট ঘরের বাকি জায়গা জুড়ে দাগ টেনে দেবেন।

ধন্যবাদ।

Friday, January 3, 2020

মরণোত্তর দেহদান কী? কোথায় করবেন?

মরণোত্তর দেহদানে মানব কল্যাণ

 
মানুষের মৃত্যুর পর অসার, নিষ্পন্দ দেহখানি কবরের মাটিতে গলে মিশে যায়। অথবা সম্প্রদায় বিশেষে অগ্নিদাহ হয়ে ছাইভষ্মে পরিণত হয়। মানবদেহের মতো মূল্যবান একটি সম্পদের এভাবে অপচয় হওয়া সমর্থন করা যায় না, যুক্তিযুক্তও নয়। যে কোনো শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ জীবদ্দশায় যেমন তেমনি মৃত্যুর পরও মানব কল্যাণে অবদান রাখতে পারেন। মরণোত্তর দেহ চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে দান করে এই কল্যাণ সাধনের সুযোগ রয়েছে।
মৃত্যুর ছয় ঘন্টার মধ্যে মেডিক্যাল কলেজ বা হাসপাতালে দেহ পৌঁছালে ১৪টি অঙ্গ প্রতিস্থাপন করা যায় । অর্থাৎ একটি প্রানহীন দেহ ১৪ জন বা ততোধিক বিকলাঙ্গকে সচল করতে পারে।
মরণোত্তর দেহদানের প্রক্রিয়াটি খুব জটিল কিছু নয়। অঙ্গীকার পত্র ও হলফনামায় সম্মতিদানের মাধ্যমে নোটারি-পাবলিক করলেই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়। এই প্রক্রিয়াকে আমরা আরো সহজতর করার চেষ্টা করছি ।
আগ্রহী যে কেউ আমাদের অফিসে ব্যক্তিগতভাবে অথবা টেলিফোনে যোগাযোগ করতে পারেন। অথবা চাইলে আমরা ফর্ম পাঠাতে পারি, ওটা পূরণ করে স্বাক্ষর ও ছবি সংযুক্ত করে পাঠিয়ে দিন। ফর্মের সফট কপি, স্ট্যাম্প ও নোটারী ব্যয় বাবদ ৫০০ টাকা ফ্লেক্সি লোড করে পাঠালে চলবে। আমরা প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করে সার্বক্ষনিক সংরক্ষনের জন্য একটি দেহদান পত্র পাঠিয়ে দেব।
দ্রুত যোগাযোগ করার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। শুভবাদী সকল বন্ধুদের উদ্দেশ্যে আজীবন শুভেচ্ছা।


জনবিজ্ঞান ফাউন্ডেশন
১০৮ কাজী নজরুল ইসলাম এ্যাভিনিউ
বাংলামটর, ঢাকা
ফোন : ০১৫৫২৩৫৮০১৮ / ০১৭১২২৯৬৮১৮
Email: janabigganfoundation@gmail.com

Tuesday, December 17, 2019

Mbps ও MBps-এর মধ্যে তফাৎ কী?

যখন বাসায় ব্রডব্যান্ড লাইন সংযোগ করি তো সংযোগ করার পরবর্তীতে তখন সবারই একটা প্রশ্ন থাকে যে আমি লাইন নিলাম 1Mbps কিন্তু যখন ডাউনলোড দিই তখন ডাউনলোড স্পিড দেখায় 200 কেবিপিএস বা 128 কেবিপিএস বা তার একটু বেশি।তাহলে কি Internet Service Provider রা আমাকে পর্যাপ্ত পরিমাণ স্পিড দিচ্ছে না?তারা কি আমাকে ধোকা দিচ্ছে?
তো চলুন এই বিষয়টা আজকে একটু ক্লিয়ার করি।
প্রথমে আমাদের জানা দরকার B ও b কি?
অবাক হইয়েন না,দুইটা অক্ষর একই হলেও ছোট অক্ষর ও বড় অক্ষরের মধ্যে বিশাল পার্থক্য রয়েছে।
B=Byte এবং b=Bit.
বড় হাতের অক্ষর হলে সেটা হবে Byte আর ছোট হাতের অক্ষর হলে সেটা হবে Bit.
তো চলুন এবার MB এবং Mb নিয়ে কথা বলি।
MB=Megabyte এবং Mb=Megabit
Bit হচ্ছে ডাটা ট্রান্সফারের সর্বকনিষ্ঠ একক,যার মধ্যে শুধু মাত্র 0 or 1 রয়েছে।
গান,মিউজিক,পিকচার যে কোনো ফাইল ইত্যাদির সাইজ পরিমাপ করা হয় MB অর্থাৎ Megabyte দিয়ে।
আর ইন্টারনেটের গতি পরিমাপ করা হয় Mb/Mbps অর্থাৎ Megabits Per Second.
তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে কত Bit=Byte?
দেখুন এটা তো আমরা জানি যে Bit থেকে Byte বড়।
তো
Bit=0 or 1
1Byte=8Bit.
তারমানে হচ্ছে 8 টি Bit নিয়ে 1 Byte.
তারমানে ফাইলের Megabytes ইন্টানেটের Megabits থেকে 8 গুণ বড়।
তাহলে এবার আলোচনাকরি কেন আমরা পর্যাপ্ত পরিমান স্পিড পাই না কোনো ফাইল ডাউনলোড করার সময়।
এটা সম্পর্কে শুধুমাত্র দু লাইন বললেই বুঝে যাবেন।সেটা হচ্ছে সংযোগ প্রদানকারীররা আপনাকে যে লাইন প্রদান করে তার হিসাব হয় Mb তে অর্থাৎ megabit এ।আর আপনি যেটা ডাউনলোড করেন সেটার হিসাব হয় MB তে অর্থাৎ Megabyte এ।আপনি যদি আপনার ইন্টারনেটের আপলোড স্পিড ও ডাউনলোড স্পিড চেক করবেন তখন দেখবেন সেটা Mbps এ দেখাবে(ছোট হাতের b) অর্থাৎ Megabit Per Second. আর যদি ডাউনলোড তখন সেটা দেখাবে MBps এ (বড় হাতের B) অর্থাৎ Megabyte Per Second.
Wait…..এখানে থামুন আর ৩০ সেকেন্ড মনে মনে ভাবুন।
হ্যা আপনি যা ভাবছেন তাই।
আমি আগেই বলছি যে কোনো ফাইলের ক্ষেত্রে হিসাব হয় Megabyte এ আর ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে হিসাব হয় Megabit এ।
তো মনে করুন আপনার 1Mbps এর একটি লাইন আছে, তো এখান থেকে আপনি ডাউনলোড স্পিড পাবেন 1÷8=0.125MBps.
অথবা মনে করুন আপনার কাছে 10 Mbps এর একটি লাইন আছে,তো এখান থেকে আপনি এক সেকেন্ডে ডাউনলোড স্পিড পাবেন 10÷8=1.25 MBps.
এভাবে আপনি যদি 1MB File এক সেকেন্ডে ডাউনলোড করতে চান তাহলে আপনার Link Speed লাগবে 8Mbps.
অথবা মনে করুন আপনার কাছে 100Mbps এর কানেকশন আছে তো আপনি 100 MB এর একটি ফাইল ডাউনলোড করতে চান।তাহলে কত সময় লাগবে?
দেখুন আপনার কাছে স্পিড আছে 100Mbps,যদি এটাকে MB তে কনভার্ট করি তাহলে হবে 100÷8=12.5 MBps
তাহলে 12.5 MB ফাইল ডাউনলোড হয়
১ সেকেন্ডে।
অতএব 100MB ফাইল ডাউনলোড হবে
100÷12.5 =8 Sce.
অর্থাৎ 100Mbps স্পিড থেকে 100 MB সাইজের একটি ফাইল ডাউনলোড হতে সময় লাগবে ৮ সেকেন্ড। এভাবে হিসাব হবে।

          ধন্যবাদ।

Thursday, December 12, 2019

সিন্ডিকেট

“সিন্ডিকেট” কথাটা আমরা অনেকেই শুনেছি।
প্রায় সময় পেপার পত্রিকায় ও টিভিতে খবরে দেখি যে, সিন্ডিকেট চক্রের কারণে বাজারে সব কিছুর দাম খুব বেশি। আসলে আমরা সিন্ডিকেট করা মানে অনেকটা জিম্মি করা বুঝি। কিন্তু আসলে সিন্ডিকেট কী এবং কেন করা হয়, সেটা আমরা তেমন জানি না। আজকে আমরা এই “সিন্ডিকেট” সম্পর্কে একটু বাস্তবিকভাবে বোঝার চেষ্টা করবো। দেখা যাক, আমরা কতটুকু বুঝতে পারি।
ধরুন, রমজান মাসে পিঁয়াজের খুব চাহিদা থাকে। এই চাহিদা সারাদেশ জুড়ে বৃদ্ধি পায়। এ সময় যাতে পিঁয়াজের দাম না বাড়তে পারে, সেজন্য সরকার অতিরিক্ত পিঁয়াজ আমদানি করে বাজারে পিঁয়াজের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে চায়। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা সেসব পিঁয়াজ গুদামে রেখে দিয়ে বাজারে পিঁয়াজের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে। যারফলে পিঁয়াজের দাম বেড়ে যায়। আর যখনই পিঁয়াজের দাম বেড়ে যায়, তখন ব্যবসায়ীরা সেই গুদামে মজুদ করে রাখা অতিরিক্ত পিঁয়াজ বেশি দামে বাজারে ছাড়ে। আর এই ঘটনাটা হলো এক প্রকারের সিন্ডিকেটের উদাহরণ।

বাজেট ঘোষণার আগে ও পরে ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন ইলেকট্রনিকস জিনিস এরকম সিন্ডিকেট করে রাখে এবং যখন সেটার দাম বৃদ্ধি অয়ায়, তখন সেটা বাজারে ছাড়ে।
এই সিন্ডিকেটের ফলে মূলত পাইকারি ব্যবসায়ীরা, মধ্যস্থতাকারীরা এবং খুচরা ব্যবসায়ীরা লাভবান হয়। আমাদের দেশে বেশিরভাগ সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত কিছু অসাধু পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা। এরফলে মূলত ক্ষতিগ্রস্ত হয় সাধারণ জনগণ।
বেশ কিছু দিন আগে আমরা দেখেছি যে, এবছর কৃষক ধানের দাম তেমন পায় নি। কিন্তু কেন তারা ধানের দাম পায় নি? এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বলুন তো। আসলে যারা কৃষকদের কাছ থেকে ধান কিনে, তারা এবছর এক প্রকার সিন্ডিকেট করেছিলো। সারাদেশে তারা নিজেরা একটা দাম ঠিক করেছিলো যে, সেই দামের থেকে বেশি দামে কেউ কৃষকের কাছ থেকে ধান কিনবে না। যারফলে কৃষকরা বাধ্য হয়ে লস হওয়া সত্ত্বেও কম দামে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছে। আর একারণে এবার কৃষক ধান বিক্রি করে লোকসানে পড়েছে।
আসলে ব্যবসার ক্ষেত্রে যারা সিন্ডিকেট করে, তারা মূলত পরোক্ষভাবে জিম্মি করছে। এখন প্রশ্ন হলো যে, শুধুই কি এসব ব্যবসাতেই সিন্ডিকেটের সমস্যা আছে নাকি অন্য ক্ষেত্রেও এরকম সমস্যা আছে?  ইদের সময় বাসের টিকিট এর ক্ষেত্রেও এরকম ঝামেলা হয়। টিকিট থাকা সত্ত্বেও টিকিট নেই এরকম অজুহাত দেখিয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি টাকা নেওয়ার জন্যও  কিন্তু সিন্ডিকেট করে।  
ব্যবসার ক্ষেত্রে এই সিন্ডিকেট একটা বড় বিষয়। এর মাধ্যমে কেউ দুইদিনেই অনেকে বড়লোক হয়ে যেতে পারে। তবে এটা মূলত পরিস্থিতি বুঝে করা হয়। তবে কয়েকজনের কারনে ভোগান্তির শিকার হন অসংখ্য মানুষ।
ধন্যবাদ।

Sunday, November 10, 2019

ঘূর্ণিঝড়ের নামের তালিকা

ঘূর্ণিঝড়ের নামের তালিকা


ঘূণিঝড়ের নামকরণ কারা, কিভাবে করে?

ঘূণিঝড়ের নামকরণ কারা, কিভাবে করে?


বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা আঞ্চলিক কমিটি একেকটি ঝড়ের নামকরণ করে।

যেমন ভারত মহাসাগরের ঝড়গুলোর নামকরণ করে এই সংস্থার আটটি দেশ।

দেশগুলো হচ্ছে:
বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মায়ানমার, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড এবং ওমান।
যাদের প্যানেলকে বলা হয় WMO / ESCAP

World Meteorological Organization
United Nations Economic and Social Commission for Asia and the Pacific

২০০৪ সাল থেকে বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরের উপকূলবর্তী দেশগুলো ঝড়ের নামকরণ শুরু হয়।
সে সময় আটটি দেশ মিলে মোট ৬৪টি নাম প্রস্তাব করে।

ধন্যবাদ।

বুলবুলের পর পবন-আমফান ঘূর্ণিঝড়

বুলবুলের পর পবন-আমফান ঘূর্ণিঝড়


বুলবুল নামকরণ করেছে পাকিস্তান। আর আসতে চলা ঘূর্ণিঝড় পবনের নাম দিয়েছে শ্রীলঙ্কা। আমফানের নামকরণ করে থাইল্যান্ড।

পূর্ববর্তী সামুদ্রিক ঝড়গুলোর মধ্যে ‘ফণী’র নামকরণ করেছিল বাংলাদেশ।
সিডর ( ওমান),
নার্গিস (পাকিস্তান),
বিজলি ( ভারত),
আয়লা (মালদ্বীপ)


ধন্যবাদ।