ঘূর্ণিঝড়ের নামের তালিকা
দিগন্ত কুমার রায়, প্রভাষক-ভূগোল বিভাগ, গাজীপুর রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ মনিপুর, গাজীপুর সদর, গাজীপুর। মোবইল: ০১৮৭২-৮৫৭১৭৭. ই-মেইল: digantaroy294@gmail.com.
সময় এবং তারিখ
ঢাকা,বাংলাদেশ
Sunday, November 10, 2019
ঘূণিঝড়ের নামকরণ কারা, কিভাবে করে?
ঘূণিঝড়ের নামকরণ কারা, কিভাবে করে?
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা আঞ্চলিক কমিটি একেকটি ঝড়ের নামকরণ করে।
যেমন ভারত মহাসাগরের ঝড়গুলোর নামকরণ করে এই সংস্থার আটটি দেশ।
দেশগুলো হচ্ছে:
বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মায়ানমার, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড এবং ওমান।
যাদের প্যানেলকে বলা হয় WMO / ESCAP
World Meteorological Organization
United Nations Economic and Social Commission for Asia and the Pacific
২০০৪ সাল থেকে বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরের উপকূলবর্তী দেশগুলো ঝড়ের নামকরণ শুরু হয়।
সে সময় আটটি দেশ মিলে মোট ৬৪টি নাম প্রস্তাব করে।
ধন্যবাদ।
বুলবুলের পর পবন-আমফান ঘূর্ণিঝড়
বুলবুলের পর পবন-আমফান ঘূর্ণিঝড়
বুলবুল নামকরণ করেছে পাকিস্তান। আর আসতে চলা ঘূর্ণিঝড় পবনের নাম দিয়েছে শ্রীলঙ্কা। আমফানের নামকরণ করে থাইল্যান্ড।
পূর্ববর্তী সামুদ্রিক ঝড়গুলোর মধ্যে ‘ফণী’র নামকরণ করেছিল বাংলাদেশ।
সিডর ( ওমান),
নার্গিস (পাকিস্তান),
বিজলি ( ভারত),
আয়লা (মালদ্বীপ)
ধন্যবাদ।
The Miracle Morning (60 Minutes)
The Miracle Morning (60 Minutes)
Life S.A.V.E.R.S
S= Silence....................................... (05 Minutes)
A= Affirmation............................... (05 Minutes)
V= Visualization............................. (05 Minutes)
E= Exercise..................................... (20 Minutes)
R= Reading..................................... (20 Minutes)
S= Scribing...................................... (05 Minutes)
Thanks.
Saturday, November 9, 2019
বুলবুল/Bulbul সাইক্লোন
বুলবুল/Bulbul সাইক্লোন
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট এই ঘূর্ণিঝড়ের নামটি দিয়েছে পাকিস্তান।
তবে অনেকেই জানেন এর নাম বুলবুল দেয়া হলো কীভাবে?
১৯৪৫ সাল থেকে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে শুরু হয় সাইক্লোন-টাইফুন ও হারিকেন তথা ঘূর্ণিঝড়ের আনুষ্ঠানিক নামকরণ।
একসময় ঝড়গুলোকে নানা নম্বর দিয়ে শনাক্ত করা হতো। কিন্তু সেসব নম্বর সাধারণ মানুষের কাছে দুর্বোধ্য হতো। ফলে সেগুলোর পূর্বাভাস দেয়া, মানুষ বা নৌযানগুলোকে সতর্ক করাও কঠিন মনে হতো।
এ কারণে ২০০৪ সাল থেকে বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরের উপকূলবর্তী দেশগুলোয় ঝড়ের নামকরণ শুরু হয়। সে সময় আটটি দেশ মিলে ৬৪টি নাম প্রস্তাব করে। সেসব ঝড়ের নামের মধ্যে এখন বুলবুল ঝড়কে বাদ দিলে আর ৫টি নাম বাকি রয়েছে।
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা আঞ্চলিক কমিটি একেকটি ঝড়ের নামকরণ করে। উদাহরণস্বরূপ ভারত মহাসাগরের ঝড়গুলোর নামকরণ করে এই সংস্থার আট দেশ।
দেশগুলো হচ্ছে- বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মিয়ানমার, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড ও ওমান, যাদের প্যানেলকে বলা হয় WMO/ESCAP।
একসময় ঝড়ের নাম হিসেবে নারীদের নামকে প্রাধান্য দেয়া হলেও পরবর্তীতে আবারও পুরুষের নাম সংযোজিত হতে থাকে। বর্তমানে বস্তু বা অন্য বিষয়ের নাম অবস্থাভেদে টেনে আনা হয়েছে। যেমন- সিডর, মেঘ, বায়ু, সাগর ইত্যাদি।
উত্তর ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট সব ঝড়ের নামকরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দেয়া নামগুলো হলো- অনিল, অগ্নি, নিশা, গিরি, হেলেন, চপলা, অক্ষি, ফণী।
বর্তমানে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল নিয়ে আলোচনা চলছে।
ঘূর্ণিঝড় বুলবুল হলো উত্তর আন্দামান সাগরে জন্ম নেয়া ঘূর্ণিঝড়। নিরক্ষীয় ঝড় মত্ত ঘূর্ণিঝড় বুলবুল নামে পুনর্জন্ম লাভ করে। ৫ই নভেম্বর সেখানে প্রথমে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়, ছয় তারিখে গভীর নিম্নচাপ এবং সাত তারিখে দুপুরের দিকে এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়। ওইদিন রাত থেকে এটি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়।
নামকরণ
আরব সাগর ও বঙ্গোপসাগর
তীরবর্তী রাষ্ট্রগুলো নিয়ে গঠিত ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কাউন্সিল ফর
এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক (এসক্যাপ) এর ৮ সদস্যের প্যানেল সকলের সম্মতির
ভিত্তিতে নতুন ঘূর্ণিঝড়ের নাম বছরের শুরুতেই নির্ধারণ করে থাকে। সেমতে
ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের নামকরণ প্রস্তাব করে পাকিস্তান।
উৎপত্তি
উত্তর আন্দামান সাগরে ঘূর্ণিঝড়ের বুলবুলের উৎপত্তি ঘটে। ৫ নভেম্বর প্রথমে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়, যা পরদিন অর্থাৎ ৬ তারিখ গভীর নিম্নচাপ এবং ৭ নভেম্বর দুপুরে নিম্নচাপ শক্তিশালী হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়। ঐদিন রাতেই এটি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়।
গতিপথ
নিরক্ষীয় ঝড় মত্ম ১৮০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে পুনঃশক্তি অর্জন। এটা একটি অস্বাভাবিক ঘটনা৷ ২৪ অক্টোবর ফিলিপাইন সাগরে মত্ম গঠিত হয়। ফিলিপাইন সাগরকে ঘূর্ণিঝড়ের আতুরঘর বলা হয়।
ধন্যবাদ।
Thursday, November 7, 2019
কিডনি পরিষ্কার রাখুন দুই খাবারে
কিডনি পরিষ্কার রাখুন দুই খাবারে
কিডনি শরীরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। এটি শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ ছেঁকে বের করে দেয়। তাই কিডনিকে সুস্থ রাখা জরুরি। না হলে কিডনি ফেইলিউর, কিডনি ক্যানসারসহ বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে।
পর্যাপ্ত পরিমাণ স্বাস্থ্যকর খাবার ও পানি পান করা কিডনিকে ভালো রাখে। তবে কিছু ভেষজ রয়েছে যেগুলো কিডনিকে পরিষ্কার করতে উপকারী। কিডনি পরিষ্কার করে এমন দুটি ভেষজের কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথ অ্যান্ড হিউম্যান।
১. রসুন
রসুন কিডনিসহ দেহের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। এটি দেহ থেকে বাড়তি সোডিয়াম দূর করে। রসুনের মধ্যে রয়েছে অ্যালাইসিন, অ্যান্টি ইনফ্লেমেটোরি, অ্যান্টি ব্যাক্টেরিয়াল ও অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদান। রসুন কিডনি থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে কার্যকর। তাই কিডনি ভালো রাখতে খাদ্যতালিকায় এটি রাখুন।
২. আদা
আদার মধ্যে জিনজেরোল নামের উপাদান রয়েছে। এটি হজম ভালো করে এবং শরীরের প্রদাহ কমায়।
রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে গেলে কিডনিতে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। কিছু গবেষণা বলে, আদা সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে অনেকটা উপকারী। তাই নিয়মিত আদা খেলে কিডনি ভালো থাকে, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ হয়।
ধন্যবাদ।
রসুন কিডনিসহ দেহের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। এটি দেহ থেকে বাড়তি সোডিয়াম দূর করে। রসুনের মধ্যে রয়েছে অ্যালাইসিন, অ্যান্টি ইনফ্লেমেটোরি, অ্যান্টি ব্যাক্টেরিয়াল ও অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদান। রসুন কিডনি থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে কার্যকর। তাই কিডনি ভালো রাখতে খাদ্যতালিকায় এটি রাখুন।
২. আদা
আদার মধ্যে জিনজেরোল নামের উপাদান রয়েছে। এটি হজম ভালো করে এবং শরীরের প্রদাহ কমায়।
রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে গেলে কিডনিতে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। কিছু গবেষণা বলে, আদা সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে অনেকটা উপকারী। তাই নিয়মিত আদা খেলে কিডনি ভালো থাকে, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ হয়।
ধন্যবাদ।
শিক্ষিত / অশিক্ষিত ও নিরক্ষর / Educated / Uneducated & Illiterate
শিক্ষিত / অশিক্ষিত ও নিরক্ষর /
Educated / Uneducated & Illiterate
কিন্তু এখানে আমার একটু দ্বিমত রয়েছে।
একজন মানুষ ভালো ছবি আঁকতে পারে, সে যদি পড়াশুনা না জানে তবুও তাকে আমরা শিক্ষিত বলতে পারি! যেহেতু লোকটি ছবি আঁকার বিষয়ে শিক্ষিত।
অক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন অনেক মানুষই ছবি আঁকতে পারে না।
অক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন মানুষটি ছবি আঁকার বিষয়ে অশিক্ষিত। ছবি আঁকতে পারা লোকটি ছবি আঁকার বিষয়ে শিক্ষিত তবে নিরক্ষর বলা যায়।
যদি কেউ প্রজ্ঞা ও মূঢ়তার মধ্যে, ভাল ও মন্দের মধ্য, শালীনতা ও আশালীনতার মধ্যে পার্থক্য করতে পারেন, তাহলে তার প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি থাকুক বা না থাকুক তাকে শিক্ষিত ব্যক্তি বলা হবে।
ধন্যবাদ।
Subscribe to:
Posts (Atom)

